নোটিশ: গত ২০০৭ সালে আমরা ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে দিয়েছিলাম। এই ভোটার তালিকাটি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তৈরি করেছিলো ২০০০ সালে। ৮৩টি সিডি আকারে ভোটার তালিকা পেয়েছিলাম। সেই ডাটাগুলি প্রয়োজনীয় কনভার্সনের পর ওয়েবে তুলে দেয়া হয়েছিলো ডাটাবেজ ব্যবহার করে। ভোটার তালিকা ওয়েব সাইটে দেয়ার উদ্দেশ্য ছিলো, এ ধরণের কার্যক্রম যেন নির্বাচন কমিশন নিজেই হাতে নেয় সে ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা। ওয়েবে দেয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা সকলের কাছে পৌছানো সম্ভব, যা একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরিতে যথার্থই সহায়ক হবে - এই ধারণা সকলের মাঝে স্পষ্ট করা।
ছবিসহ ভোটার তালিকার ধারণাও সুজন সেসময় দিয়েছিলো। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন এবং বাংলাদেশ সরকার ছবিসহ ভোটার তালিকার কার্যক্রম হাতে নেয়। জাতীয় পরিচয় পত্র এই কার্যক্রমের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত ছিলো। অতি সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় নুতন একটি ভোটার তালিকার কাজ সমাপ্ত করেছে। বর্তমান ভোটার তালিকার কারণে সুজন মনে করছে পূরনো ভোটার তালিকার আর কোন প্রয়োজন নেই। সেজন্য পুরনো তালিকাটি বন্ধ করে দেয়া হলো।
আমরা সুজন-এর ওয়েবসাইটে ভোটার তালিকা দেয়ার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছি। নুতন ভোটার তালিকা পাওয়া মাত্রই সেগুলি ওয়েবে প্রকাশ করা হবে। ভোটের যাবতীয় তথ্য দিয়ে জনগণকে ক্ষমতায়িত করার এ কার্যক্রম সুজন ক্রমাগত চালিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য যে, নির্বাচন কমিশনের ভোটার লিষ্ট তৈরির সঙ্গে সুজন এর কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাই যে কোন সহায়তার জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
|